কম বয়সেই হাড় ক্ষয়’ রোধে সচেতন’ হতে হবে!

বর্তমানে হাড়ের স’ম’স্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে ওঠে। হাড়ের মূল উপাদান আ’মি’ষ, কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক নিয়মেই ৩০ বছরের পর থেকে হাড়ের ঘনত্ব ও প’রি’মা’ণ কমতে থাকে। ৫০ থেকে ৬০ বছরের দিকে হাড় অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে।

বয়স বাড়তে থাকার এক পর্যায়ে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি না’রী’র বেলাতে বেশিই থাকে। বোন হেলথ অ্যান্ড অস্টিওপোরোসিস ফাউন্ডেশন বলছে, যু’ক্ত’রা’ষ্ট্রে অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী। পঞ্চাশোর্ধ নারীর বেলায় প্রতি দুই জনে একজন হাড় ভাঙ্গা সমস্যায় ভো’গে’ন এই অস্টিওপোরোসিস থেকেই।

নারীদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি কেন?

নারীর হাড় পু’রু’ষে’র চেয়ে ছোট ও সরু হয়। সাধারণত ইস্ট্রোজেন হরমোন নারীর হাড়কে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু মেনোপজের পর এই হরমোন খুব দ্রুত কমে আ’স’তে থাকে, তখনই হাড় ক্ষয় বাড়তে শুরু করে।

বয়স্কদের এ রোগ বেশি হ’লে’ও ২০, ৩০ এবং ৪০ বছরের নারীরাও অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত হতে পা’রে’ন। তরুণীদের মধ্যে যাদের হাড়ের ঘনত্ব কম, তাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে অস্টিওপোরোসিস হ’ও’য়া’র ঝুঁকি বেশি।

করণীয় কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়াম ও ফ’স’ফে’ট এমন দুটি খনিজ, যা স্বাভাবিক হাড় গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বাড়ন্ত ব’য়’সে ও যৌবনে শরীরের হাড় গঠন করতে এ খনিজগুলো কাজ করে। এজন্য মেনোপজ হওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাড়ের ঘ’ন’ত্ব, হাড়ে খনিজের পরিমাণ পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

গর্ভবতী নারীকে অবশ্যই তার সন্তানের সু’গ’ঠি’ত হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি খেতে হবে। ভালো খাবারের পাশাপাশি মজবুত হাড়ের জন্য নিয়মিত শরীরচর্চার বি’ক’ল্প নেই। চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ জীবন যাপন ও অভ্যাস হাড়কেও সুস্থ রাখে এবং ব’য়’স হলে অস্টিওপোরোসিস হওয়া ঠেকায়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ’ক’টি কথা আছে— প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। প্রতিরোধ শুরু করতে হবে শিশুকাল থে’কে’ই। যাতে শিশুকাল থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের হাড়ের ঘনত্ব অ’নে’ক বেশি থাকে।

Leave a Comment