ঢাবি শিক্ষার্থীকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শি’ক্ষা’র্থী সাফিন উজ জামানকে মারধর ও মাদক মামলা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে দুই পু’লি’শ সদস্যের বিরুদ্ধে। বুধবার (১২ জুন) রাত সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর হাজারীবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লে’দা’র ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সাফিন উজ জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের প’দা’র্থ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সদ্য গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব’ন্ধু’স’ভা’স’হ নানা সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।ভুক্তভোগীর তথ্যমতে ওই দুই পুলিশ সদস্য হলেন হাজারীবাগ থানার এস আই সি’রা’জু’ল হক ও কনস্টেবল রিয়াজ।

ঘটনার বর্ণনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাফিন উজ জামান ফেসবুকে একটি ভিডিও বা’র্তা’য় বলেন, আমাদের এক অসুস্থ ছোট বোনকে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বু’ধ’বা’র রাত ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে রিকশা নিয়ে হাজারীবাগ এলাকায় আমাদের লেদার ইনস্টিটিউট এর দিকে যাই। রি’ক’শা থেকে নেমে ভাড়া দিতে গেলে রিয়াজ নামে এক পুলিশের কন্সটেবল পে’ছ’ন থেকে এসে আমার হাত ধরে জিজ্ঞেস করেন, তুই এখানে কি করছিস? এ সময় উনি আমার পকেটে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলেন। প’কে’টে কিছু টাকা থাকায় আমি তাকে পকেটে হাত দিতে দিচ্ছি না। উনি বললেন, তোর পকেটে মা’দ’ক আছে, আমি চেক করব। তখন আমি বললাম, আমার পকেটে কিছুই নেই, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

কথা-কাটাকাটি হ’ও’য়া’র একসময় সিরাজুল হক নামে আরও একজন পুলিশ সদস্য দৌড়িয়ে আসেন। একপর্যায়ে, তারা দুইজনেই আমাকে আরও জেরা ক’র’তে শুরু করেন। এরপর আমি পরিচয় দেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শুনেই এ’স’আ’ই সিরাজুল হক আরও অ্যাগ্রেসিভ হয়ে গেলেন।

এ সময় তিনি আমার গালে কয়েকটা থা’প্প’ড় দেন। একপর্যায়ে আমার ওই বড়ভাই ওখানে উপস্থিত হলে, তা’কে’স’হ আমাদের দুইজনকেই নির্জনে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে, সেখানে মানুষজন থাকায় আড়ালে কোথাও নিতে পারেননি।

পুলিশ আমাদেরকে এক ঘণ্টা ব’সি’য়ে রাখেন এবং নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দেন। সর্বশেষ তারা আমাদেরকে বলেন, আ’প’না’রা চলে যান এবং আজকের ঘটনা কাউকে বলবেন না। যদি বলেন তাহলে আরও খারাপ কিছু হতে পারে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আরও ব’লে’ন, পুলিশ সদস্যরা আমার পকেটে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমি এই ঘ’ট’না’য় এই দুই পুলিশ সদস্যের বিচার চাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর র’হ’মা’ন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আমরা খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

অন্যদিকে হাজারীবাগ থা’না’র ডিউটি অফিসার এস আই তাহমিনা বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত এ রকম খবর পাইনি। তবে অ’ভি’যু’ক্ত পুলিশ সদস্য এস আই সিরাজুল হক এই থানায়ই কর্মরত সেটা তিনি নিশ্চিত করেন। তবে আরেক অভিযুক্ত কনস্টেবল রিয়াজের বিষয়টি তিনি নি’শ্চি’ত করতে পারেননি। এ বিষয়ে জানতে হাজারীবাগ থানার ওসিকে একাধিকবার কল দিয়েও পা’ও’য়া যায়নি।

Leave a Comment